গিটার ইশ্‌কুল: পর্ব-৪: ফিঙ্গার এক্সারসাইজ ১১-১৬

গান তোলা শেষ? সানিয়া মুনিয়াদের রেসপন্স কি? কর্ড পরিবর্তনের সময় আঙুল আটকে যাচ্ছে বলে বাঁকা ঠোঁটে তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে উঠে চলে গিয়েছে? আপনার হৃদয় ভেঙে খানখান হয়ে গিয়েছে? ঘাবড়াবেন না। এসে গেল আরও কিছু ফিঙ্গার এক্সারসাইজ। যেসব ফিঙ্গার এক্সারসাইজ করলে আপনি পারবেন আটকে যাওয়ামুক্ত কর্ড পরিবর্তনের ক্ষমতা। চোখ টিপি
কেমন আছেন সবাই? ভালো তো। দেরি হয়ে গেল বলে দুঃখিত। চলুন কাজে লেগে যাই-
Continue reading

Advertisements

গিটার ইশ্‌কুল: পর্ব-২: ফিঙ্গার এক্সারসাইজ ৫-১০

এই পর্বে গপ্পগুজব কম। এমনকি আগামী কয়েক পর্বেও তাই। কারণ আগামী বেশ কয়েকটী পর্ব ফিঙ্গার এক্সারসাইজ নিয়েই হবে। যে এক্সারসাইজগুলো আঙুলের জন্য দেয়া হয়েছে, হচ্ছে, হবে তার প্রত্যেকটি-ই গিটার বাজানোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এই লেসনগুলো ঠিকঠাক মতো করলে পরবর্তিতে গিটারের কর্ড ধরতে, লিড বাজাতে সুবিধা হবে। জীবনটা যেহেতু হিন্দি সিনেমা না আর আমি আপনিও শাহরুখ খান না, তাই গিটার হাতে নিয়ে টুং টাং করলেই “তুঝে দেখা তো ইয়ে জা না সানাম” বাজে না! সুতরাং এসব লেসন বাদ দিয়ে যাওয়ার কোন উপায়ই নেই। তবে একঘেয়ে ভাবটুকু কাটাতে এই এক্সারসাইজগুলোর মাঝে মাঝে কিছু ব্যাসিক কর্ড এবং ওইসব কর্ড দিয়ে কিছু গানও দেয়া হবে। হতাশ হবেন না। সমস্যাগুলো আমিও তো বুঝি। আপনি আমি গিটারের জন্য ধৈর্য ধরতে পারলেও সানিয়া, মুনিয়ারা বড়ই চপলা। চোখ টিপি খাইছে Continue reading

গিটার ইশ্‌কুল: পর্ব-১: ফিঙ্গার এক্সারসাইজ

গত পর্বের শিরোনাম দেখে সানিয়া, মুনিয়াকে পটানোর দূর্দমনীয় ইচ্ছা নিয়ে পোস্টের উপর ঝাপিয়ে পড়ে হতাশ হয়ে যারা “ব্যাটা দেখাইলো মুরগী, খাওয়াইলো ডাইল” বলে আমাকে গালিগালাজ করেছিলেন, এই পর্বে তাদের জন্য আগেই সাবধান বাণী- মুরগী এখনো খাওয়ার সময় হয়নি। আপাতত গিলা কলিজাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে যে। প্রথমেই একটা বেরসিক প্রশ্ন- গিটার কিনেছেন তো? গিটার বাজাই শুনে অনেকেই তাদের অনেক ইচ্ছা ছিলো গিটার শিখবে, শিখতে চায় বলে এই জীবনে যে কয়জন আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন-“ভাই, গিটার বাজানো শিখতে কি লাগে?” আমি রসকষহীন কণ্ঠে জবাব দেই-“একটা গিটার আগে কেনা লাগে।” গিটার কেনা হয়ে থাকলে গত পর্বে যেমন বলেছিলাম স্ট্রেচিং এর কথা, সেভাবে স্ট্রেচিং করে আসুন এবার গিটার নিয়ে বসে যাই।

Continue reading

গিটার ইশ্‌কুল: পর্ব-০: প্রস্তুতি পর্ব

ভূমিকাঃ

এই সিরিজ এর আইডিয়া এবং গুতাগুতি করে আমাকে দিয়ে অবশেষে শুরু করানোর একক কৃতিত্ব নজু ভাইয়ের। এমনকি সিরিজের নামকরণের প্রথম অংশটুকুও উনার করা। অর্থাৎ গিটার ইশ্‌কুল। যে মানুষ নিজের কন্যার নাম রাখতে দুই বছর পার করে দেন, সেই তিনিই কিনা জিজ্ঞেস করার পর “খাড়ান, কইতাছি” বলে মাত্র দুই মিনিটের মাথায় নাম হাজির করে ফেললেন। তো, এমন ডেডিকেশন নিয়ে কেউ গুতাগুতি করলে আর কাহাতক আলসেমি করা চলে?

তবে কিনা, লিখতে বসেই হলো আসল ঝামেলা। অন্যকে জ্ঞানদানমূলক পোস্ট লিখতে গিয়ে বুঝতে পাল্লুম নিজে একটা অকাট মূর্খ। তারমধ্যে যে জিনিস হাতেগিটারে (ওই হাতেকলমে আরকি) দেখানোর ব্যাপার তা শুধু লিখে লিখে বোঝানো আরেক মুশকিল। তবে সে ঝামেলা ছবি, ভিডিও দিয়ে অনেকটাই দূর করা যাবে আশাকরি।

Continue reading

বারুদ হয়ে জ্বলো

১.
আবুল হাবুলকে বলে-“গালে থাপড়ায়া হুতায়ালামু।”
হাবুল চেতে গিয়ে বলে-“দেখ্‌ না মাইরা”
আবুল হাবুলের গালে চটাস করে চড় মারে। চড় খেয়ে হাবুল ফুঁপিয়ে কেঁদে ফেলে। বলে-“পারলে আমগো বাড়ির সামনে আইয়া মার।”
আবুল বলে-“চল্‌”
দুজন মিলে হাবুলের বাড়ির সামনে যায়। হাবুল চোখ রাঙিয়ে বলে-“এইবার মেরে দেখ্‌।”
আবুল আবার হাবুলের গালে চটাস করে মারে। চোখ মুখ লাল করে হাবুল এক লাফে বাড়ির সদর দরাজায় গিয়ে বলে- “পারলে এইখানে আইসা মাইরা যা দেখি। হাত ভাইঙ্গালামু একদম!”
আবুল এগিয়ে গিয়ে আরও জোরে হাবুলের গালে চড় মারে। চর খেয়ে হাবুল ফোঁত ফোঁত করে কাঁদতে কাঁদতে বলে-“পারলে এর পরে আবার আইসা মারিস, মাটিত্‌ ডাবায়ালামু”

Continue reading

টিনের চশমা

ধবধবে সাদা দেয়ালের বেশ বড়সড় একটি এয়ার কন্ডিশন‌ড রুম। আসবাব বলতে মাঝে একটি ছোট আকৃতির টি টেবিল, সেটিকে ঘিরে সোফা, একটি তিন আসনের, আর দুটি এক আসনের। একদিকের দেয়ালে বড় একটি এল ই ডি টিভি। তিন আসনের সোফাটির মাঝামাঝি লোকটি বসা। গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি, সাদা পায়জামা, ক্লিন শেইভ করা ফর্সা চেহারার লোকটির চোখে একটি চশমা। চশমাটি একটু অদ্ভুত ধরনের! দেখতে রোদ চশমার মতো হলেও কাচের রং টা কেমন অদ্ভুত ধাতব! ঘরের মধ্যে রোদচশমা পড়ে বসে থাকার কারণও আমার কাছে ঠিক বোধগম্য হলো না।

Continue reading

আরেকটি জাল পড়া বাসন্তী নাটক এবং প্রথম আলো

১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় জাল পড়া বাসন্তী যে একটা সাজানো নাটকের মঞ্চায়ন ছিল, সেটা আমরা এখন প্রায় সবাই জানি। বিশেষ করে সেই ছবির আলোকচিত্রি আফতাব আহমেদ খুন হওয়ার পর ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন ভাই এর এই লেখা থেকে আমরা সেই ব্যাপারে অনেক স্পষ্ট ভাবে জানতে পারি। লেখাটির ছোট্ট একটু অংশ এখানে দিচ্ছি পাঠকের সুবিধার্থে- Continue reading